কিভাবে একটি ছোট উদ্যোগ থেকে bijoy7 আজ লক্ষাধিক বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে — সেই যাত্রার পুরো ইতিহাস এখানে।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং যখন সবে পরিচিত হচ্ছিল, তখন bijoy7-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি সাধারণ লক্ষ্য নিয়ে — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, সহজ এবং বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। সেই সময় বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি, ইংরেজিতে, এবং বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেমের সাথে সামঞ্জস্যহীন।
bijoy7-এর প্রতিষ্ঠাতারা বুঝতে পেরেছিলেন যে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের দরকার এমন একটি জায়গা যেখানে বাংলায় কথা বলা যাবে, বিকাশ-নগদে টাকা লেনদেন করা যাবে এবং নিজের দেশের খেলাধুলার উপর বেট করা যাবে। সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নিয়েছিল bijoy7।
প্রথম দিকে সদস্য সংখ্যা কম থাকলেও, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া বিশ্বাসযোগ্যতা এবং দ্রুত পেমেন্টের সুনাম bijoy7-কে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও bijoy7-এর নাম ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি।
বছরের পর বছর ধরে bijoy7 কিভাবে বেড়ে উঠেছে তার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র।
bijoy7-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রথম সংস্করণে স্পোর্টস বেটিং এবং কয়েকটি বেসিক ক্যাসিনো গেম নিয়ে প্ল্যাটফর্ম চালু হয়। বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট সুবিধা চালু করা হয়, যা তখনকার সময়ে ছিল সত্যিকারের বিপ্লব। প্রথম মাসেই কয়েক হাজার সদস্য যোগ দেন।
মহামারির সময়ে অনলাইন বিনোদনের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে bijoy7-এর সদস্য সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই বছর কালার প্রেডিকশন গেম চালু হয়, যা অল্প সময়ের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। নগদ পেমেন্ট সংযুক্ত করা হয় এবং ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট চালু হয়।
bijoy7-এর Android অ্যাপ প্রকাশিত হয়, যা মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য গেমিং অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ নতুন মাত্রায় নিয়ে যায়। লাইভ স্ট্রিমিং ফিচার যুক্ত হয়, ফলে খেলোয়াড়রা ম্যাচ দেখতে দেখতে বেট করতে পারেন। এই বছর bijoy7 প্রথমবারের মতো ১ লক্ষ সক্রিয় সদস্যের মাইলফলক অতিক্রম করে।
bijoy7 ভিআইপি সদস্যতা প্রোগ্রাম চালু করে, যা নিয়মিত খেলোয়াড়দের বিশেষ সুবিধা ও পুরস্কার দেয়। বোম্বিং ফিশিং এবং মাল্টি বেট ফিচার যুক্ত হয়। রকেট পেমেন্ট সংযুক্ত হওয়ায় পেমেন্ট অপশন আরও বিস্তৃত হয়। iOS অ্যাপও এই বছর প্রকাশিত হয়।
bijoy7-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় স্লট গেম লিজেন্ড অফ পার্সিউস লঞ্চ হয়। প্ল্যাটফর্মের সম্পূর্ণ UI/UX নতুনভাবে ডিজাইন করা হয়। সদস্য সংখ্যা ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। রাজনীতি গেম বিভাগ চালু হয়, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইভেন্টের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
bijoy7 ৫ লক্ষ নিবন্ধিত সদস্যের মাইলফলক অতিক্রম করে। নতুন গেম বিভাগ চালু হয়, যেখানে প্রতি সপ্তাহে নতুন গেম যুক্ত হচ্ছে। পেমেন্ট প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করা হয় এবং গড় উইথড্রয়াল সময় ৫ মিনিটে নামিয়ে আনা হয়। bijoy7 এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃত।
bijoy7-এর সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো সদস্যদের সাথে সৎ ও স্বচ্ছ সম্পর্ক। শুরু থেকেই bijoy7 কখনো প্রতিশ্রুতি ভাঙেনি। যখন বলা হয়েছে ৫ মিনিটে উইথড্রয়াল, তখন সেটাই হয়েছে। যখন বোনাস অফার করা হয়েছে, তখন সেটা সত্যিই দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং জগতে অনেক প্ল্যাটফর্ম এসেছে এবং গেছে। কিন্তু bijoy7 টিকে আছে কারণ এখানে সদস্যদের স্বার্থকে সবার আগে রাখা হয়। প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সাথে নেওয়া হয়, প্রতিটি সমস্যার সমাধান দেওয়া হয়।
SSL এনক্রিপশন, দুই স্তরের যাচাইকরণ এবং নিয়মিত নিরাপত্তা অডিটের মাধ্যমে bijoy7 নিশ্চিত করে যে প্রতিটি সদস্যের তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
"bijoy7-এ প্রথমবার খেলার পর থেকে আর অন্য কোথাও যাইনি। এখানে টাকা জমা দিলে নিশ্চিন্তে থাকা যায়, উইথড্রও হয় দ্রুত।"
— মোহাম্মদ রাফি, ময়মনসিংহbijoy7-এর গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলো একটি টেবিলে।
| বছর | মাইলফলক | বিভাগ |
|---|---|---|
| ২০১৯ | bijoy7 প্রতিষ্ঠা ও প্রথম লঞ্চ | প্রতিষ্ঠা |
| ২০২০ | কালার প্রেডিকশন গেম চালু, নগদ পেমেন্ট সংযুক্ত | গেম |
| ২০২০ | ১০,০০০ সক্রিয় সদস্য অর্জন | সদস্য |
| ২০২১ | Android মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ | প্রযুক্তি |
| ২০২১ | ১ লক্ষ সক্রিয় সদস্যের মাইলফলক | সদস্য |
| ২০২২ | ভিআইপি প্রোগ্রাম ও iOS অ্যাপ চালু | সেবা |
| ২০২২ | বোম্বিং ফিশিং ও মাল্টি বেট ফিচার যুক্ত | গেম |
| ২০২৩ | লিজেন্ড অফ পার্সিউস স্লট গেম লঞ্চ | গেম |
| ২০২৩ | ৩ লক্ষ সদস্য অতিক্রম | সদস্য |
| ২০২৪ | ৫ লক্ষ নিবন্ধিত সদস্যের মাইলফলক | সদস্য |
| ২০২৪ | গড় উইথড্রয়াল সময় ৫ মিনিটে নামিয়ে আনা | প্রযুক্তি |
bijoy7-এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে তৈরি। এখানে সবকিছু বাংলায় — গেমের নির্দেশনা, সাপোর্ট চ্যাট, পেমেন্ট নোটিফিকেশন সবই বাংলায় পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের ক্রিকেট, ফুটবল এবং অন্যান্য স্থানীয় খেলাধুলার উপর বেটিং অপশন bijoy7-কে অন্য সব প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে তোলে। বিপিএল, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ম্যাচ — সব কিছুতেই bijoy7-এ বেট করা যায়।
মোবাইল ডেটার সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রেখে bijoy7-এর অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট অত্যন্ত হালকা ও দ্রুত লোড হওয়ার জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়েছে। ২জি নেটওয়ার্কেও bijoy7 ব্যবহার করা যায়।
বছরের পর বছর ধরে bijoy7 যে মূল্যবোধ ও সেবা নিয়ে কাজ করেছে।
bijoy7 শুরু থেকেই সদস্যদের তথ্য ও অর্থের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। SSL এনক্রিপশন ও দুই স্তরের যাচাইকরণ সবসময় চালু থাকে।
bijoy7-এর ইতিহাসে কখনো পেমেন্ট আটকে রাখা হয়নি। দ্রুত উইথড্রয়াল এবং তাৎক্ষণিক ডিপোজিট bijoy7-এর পরিচয়ের অংশ হয়ে গেছে।
bijoy7-এর সাপোর্ট টিম ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন বাংলায় সাহায্য করতে প্রস্তুত। ফোন, চ্যাট বা ইমেইল — যেকোনো মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়।
bijoy7-এর সব গেম সার্টিফাইড র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর ব্যবহার করে। কোনো কারসাজি নেই, ফলাফল সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ।
bijoy7 সবসময় তার সদস্যদের পুরস্কৃত করে এসেছে। ওয়েলকাম বোনাস থেকে শুরু করে ভিআইপি ক্যাশব্যাক — সব সময় কিছু না কিছু অফার থাকে।
bijoy7 শুরু থেকেই মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। অ্যাপ ও মোবাইল সাইট উভয়ই অত্যন্ত স্মুথ।
bijoy7-এর যাত্রা এখানেই শেষ নয়। প্রতিটি বছর নতুন গেম, নতুন ফিচার এবং আরও উন্নত সেবা নিয়ে bijoy7 এগিয়ে চলেছে। আগামী দিনে আরও বেশি স্থানীয় খেলাধুলার কভারেজ, আরও দ্রুত পেমেন্ট এবং আরও বেশি বোনাস অফার আসছে।
bijoy7-এর লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছানো এবং প্রতিটি খেলোয়াড়কে একটি নিরাপদ, মজাদার এবং লাভজনক গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। আমাদের সাথে থাকুন, কারণ সেরাটা এখনো আসতে বাকি।
bijoy7-এর এই দীর্ঘ যাত্রায় যারা সাথে ছিলেন, যারা বিশ্বাস রেখেছেন — তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। আপনাদের ভালোবাসাই bijoy7-কে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে।